অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, তথ্যপ্রযুক্তির সুষ্ঠু বিকাশ এবং এর কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে সমাজের নানা অসংগতি দূর করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে প্রযুক্তিনির্ভর সেবার মাধ্যমে জনগণের জীবনমান আরও সহজ ও উন্নত হবে।
সোমবার (৬ জুলাই) সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের মাল্টিপারপাস হলে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ আয়োজিত ‘ইনোভেশন শোকেসিং ২০২৫-২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক।
আলোচনায় অংশ নেন মাইক্রো ক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি-এর ভাইস চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ-এর চেয়ারম্যান মীর নাদিয়া নিভিন এবং জনতা ব্যাংক-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মজিবুর রহমান।
বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, পুরো দেশকে ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় আনতে হবে। কৃষক থেকে শুরু করে সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। দেশের সার্বিক উন্নয়নে এবং জনগণকে উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে প্রযুক্তির কোনো বিকল্প নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, উৎপাদনশীলতা বাড়াতে হলে সরকারি ও আর্থিক সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে। পাশাপাশি শেয়ারবাজার ও বিমা খাতে অনিয়ম রোধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে ২৫টি প্রতিষ্ঠানের ৫০টি উদ্ভাবনী উদ্যোগ (ইনোভেশন) প্রদর্শন করা হয়। অর্থমন্ত্রী বিভিন্ন স্টল ঘুরে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো, ব্যাংকিং এবং উদ্যোক্তা দক্ষতা উন্নয়নসংক্রান্ত প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবনগুলো পরিদর্শন করেন।
অনুষ্ঠানের শেষে উদ্ভাবনী উদ্যোগের স্বীকৃতি হিসেবে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করা হয়। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—
- জনতা ব্যাংক
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
- বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ
- বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশন
- পল্লী কর্মসংস্থান ফাউন্ডেশন

নিজস্ব প্রতিবেদক 